Google সার্চ আর অনিন্দিতার ফেসবুক পোস্টেই আইনজীবী হত্যা মামলার কিনারা
দোষী সাব্যস্ত হবার পর এদিন বারাসত আদালত থেকে বেরনোর মুখে কান্নায় ভেঙে পড়েন অনিন্দিতা।
নিজস্ব প্রতিবেদন: আইনজীবী রজত দে হত্যা মামলায় দোষী সাব্যস্ত হন তাঁর স্ত্রী অনিন্দিতা। ২০১৮ সালের নভেম্বরে নিউটাউনের ফ্ল্যাটে খুন হন আইনজীবী রজত দে। পুলিসি তদন্তে ফাঁস ষড়যন্ত্র এবং প্রমাণ লোপাটের মতো গুরুতর অভিযোগ। আজ বারাসাত আদালত ৩০২,২০১ ধারায় রজত দের স্ত্রী অনিন্দিতা দে-কে দোষী সাব্যস্ত করে,চুড়ান্ত রায় বুধবার।
অত্যন্ত জটিল এই মামলায় আদালত কঠোর ভাষায় তদন্তকারী অফিসারকে তিরষ্কার করেন। বহুভাবে এই মামলাকে হালকা এবং ভুল পথে চালিত করেছে বলে জানান বিচারক সুজিত ঝাঁ। সরকারি পক্ষের উকিলের দাবি, বিচারের জয় হল,মোবাইল ফোনের চার্জারের কর্ড গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করা হয় রজতকে। আত্মহত্যার তথ্য দাঁড় করানোর চেষ্টা করলেও তা ধোপে টেকেনি।
কিন্তু কী ভাবে খুনের মামলার প্রমাণ মিলল? জানা গিয়েছে রজত দে-র মৃত্যুর দিন Google সার্চে লিগেচার মার্ক অর্থাত্ ফাঁস লাগানোর নানান কৌশল অনিন্দিতা দে-দেখেছিলেন। যা খুনের মামলার বিচারে বড় প্রমাণ। পাশাপাশি যে দিন আইনজীবী রজত দে-কে খুন করা হয় সেই দিনেই ফেসবুকে অনিন্দিতা একটি অস্বাভাবিক পোস্ট করেন। যে পোস্টটিতে লেখা ছিল, এক ভদ্রমহিলা তাঁর স্বামীকে খুন করে টুকরো টুকরো করে কেটে বিরিয়ানি বানিয়ে রাজমিস্ত্রিদের খাওয়ান। এই দুটি ইলেকট্রনিক এভিডেন্সই প্রমাণ করে যে অনিন্দিতা দে দোষী।
দোষী সাব্যস্ত হবার পর এদিন বারাসত আদালত থেকে বেরনোর মুখে কান্নায় ভেঙে পড়েন অনিন্দিতা। আসামী অনিন্দিতা দে বলেন, "আমি খুন করিনি,গুড্ডু মরে যাবে।" তবে বুধবার বারাসত আদালত কী সাজা দেয় সেদিকেই তাকিয়ে সবাই।
আরও পড়ুন - ছবি আর আধার কার্ডের প্রিন্ট আউট এনে দিয়ে NEET-পরীক্ষার্থীকে সাহায্য কলকাতা পুলিসের পুজোয়পরামর্শ