সল্টলেকে পুরসভার জলে ব্যাঙাচির উৎস সন্ধানে অবশেষে তৎপর প্রশাসন
সল্টলেকের বি এইচ ব্লকের জলে ব্যাঙাচির উত্স কী? খুঁজে বের করতে অবশেষে নড়েচড়ে বসল প্রশাসন। আজ সরেজমিন পরিদর্শনে নামলেন বিধাননগরের মহকুমাশাসক এবং পুরসভার ইঞ্জিনিয়াররা।

সল্টলেক: সল্টলেকের বি এইচ ব্লকের জলে ব্যাঙাচির উত্স কী? খুঁজে বের করতে অবশেষে নড়েচড়ে বসল প্রশাসন। আজ সরেজমিন পরিদর্শনে নামলেন বিধাননগরের মহকুমাশাসক এবং পুরসভার ইঞ্জিনিয়াররা।
পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে জলের নমুনা। যথাযথ ব্যবস্থার আশ্বাস দিয়েছেন স্থানীয় কাউন্সিলর।বি এইচ ১৫৯, ১৬২ এবং ১৯৭। এই তিনটি বাড়িতেই কলের জলে ব্যাঙাচির দেখা মিলেছিল। গলদ কোথায?পুরসভার জলের লাইনে নাকি বাড়ির ভূগর্ভস্থ ট্যাঙ্কে? তা খতিয়ে দেখতেই সোমবার সকালে ওই বাড়িগুলিতে যান মহকুমাশাসক তথা পুরসভার মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক। ছিলেন চার নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার অনিতা মণ্ডলও। পুরসভার সাত নম্বর ট্যাঙ্ক থেকে জল সরবরাহ হয় ওই এলাকায়। সেখানে নমুনা সংগ্রহে যান পুর ইঞ্জিনিয়াররা।
পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয় সেই জলের নমুনা। ব্যাঙাচির উত্সের হদিস অবশ্য এদিন মেলেনি।
অভিযোগ, পুরসভার ওই ট্যাঙ্ক সাফ হয় না দীর্ঘদিন। এজন্য ঠিকাদারদের জবাবদিহি চাওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন কাউন্সিলর। কিন্তু সাত নম্বর ট্যাঙ্কের ঠিকাদার দায় চাপিয়েছেন নাগরিক সচেতনতার দিকেই।
এই চাপানউতোর অবশ্য শুনতে নারাজ বাসিন্দারা। কলের জলে ব্যাঙাচি আর দেখতে চান না তাঁরা।