বুধবার জারি জিটিএ-বিজ্ঞপ্তি, এখনও অনড় মোর্চা
আগামিকাল জিটিএ-র বিজ্ঞপ্তি জারি করছে রাজ্য সরকার। মহাকরণে একথা জানিয়েছেন মুখ্যসচিব সমর ঘোষ। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, জিটিএ-র নির্বাচন হবে দার্জিলিং গোর্খা হিল কাউন্সিল বা ডিজিএইচসি-র আওতায়। আর এতেই বেঁকে বসেছে মোর্চা নেতৃত্ব।
আগামিকাল জিটিএ-র বিজ্ঞপ্তি জারি করছে রাজ্য সরকার। মহাকরণে একথা জানিয়েছেন মুখ্যসচিব সমর ঘোষ। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, জিটিএ-র নির্বাচন হবে দার্জিলিং গোর্খা হিল কাউন্সিল বা ডিজিএইচসি-র আওতায়। আর এতেই বেঁকে বসেছে মোর্চা নেতৃত্ব। মোর্চার পাল্টা বক্তব্য, ডিজিএইচসি-র এলাকায় নির্বাচন হলে সেই নির্বাচনে সামিল হবে না তারা।
৭ মার্চ ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন রাষ্ট্রপতি প্রতিভা পাতিল। মঙ্গলবার মহাকরণে রাজ্যের মুখ্যসচিব জানিয়েছেন, বুধবার জিটিএ-র বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে। তারপরই পাহাড়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়া চালু করতে শুরু হবে ডিলিমিটেশনের কাজ। ডিলিমিটেশনের কাজ শেষ হলে জারি করা হবে নির্বাচনী বিজ্ঞপ্তি।
তবে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে পুরনো ব্যবস্থাই বহাল রেখেছে রাজ্য সরকার। মুখ্যসচিব জানিয়েছেন, জিটিএ-র নির্বাচন হবে দার্জিলিং গোর্খা হিল কাউন্সিল বা ডিজিএইচসি-র আওতাতেই। সংবিধান অনুযায়ী এই নির্বাচন পরিচালনা করবে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। এখানেই আপত্তি তুলেছেন বিমল গুরুং আর তাঁর অনুগামীরা। পাশাপাশি গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার দাবি ছিল, জিটিএ-তে তরাই-ডুয়ার্সের ৩৯৬ টি মৌজার অন্তর্ভুক্তি না হলে পাহাড়ে নির্বাচন সম্ভব নয়।
কিন্তু মুখ্যসচিব দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন, নির্বাচন হবে ডিজিএইচসি এলাকায়। এরপরই মোর্চার তরফে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, ডিজিএইচসি এলাকায় নির্বাচন হলে সেই নির্বাচনে অংশ নেবে না তারা।
এদিন মহাকরণে মুখ্যসচিব সমর ঘোষ জানিয়েছেন, তরাই ও ডুয়ার্সের কোন কোন এলাকা জিটিএ-তে সংযুক্ত করা হবে তা ঠিক করতে তৈরি হয়েছে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি। সেই কমিটি এখনও কাজ করছে। মুখ্যসচিবের বক্তব্য জিটিএ চুক্তিতে স্পষ্ট করা আছে ওই কমিটির সিদ্ধান্তের সঙ্গে নির্বাচনের কোনও যোগ নেই। তিনি আশাবাদী ডিলিমিটেশন এবং নির্বাচনী বিজ্ঞপ্তি জারির প্রক্রিয়া দু`মাসের মধ্যেই সম্পূর্ণ হবে।